Romantic Bangla Love Story – পুলিশের সাথে প্রেম-২

Romantic Bangla Love Story – পুলিশের সাথে প্রেম-২: শকুনের অভিশাপে গরু মরেনা বুঝলেন? ! বলা তো যায় না মরলে ও মরতে পারেনা তাই না? ! I don’t know mr police, so tata bey bey, ! এই যে তুমি যাচ্ছো কোই? ! দ্যাটর্স নান অফ ইউওর বিজনেস, বলে আমি এক দৌড়ে আনুর বাসায় চলে যাই, বাসায় গিয়ে দোতালায় দাড়িয়ে নিচে তাকাতেই দেখি পুলিশ অফিসার টা আবারো মিষ্টি হাসি দিয়ে সানগ্লাস পরছে,!

উফফফ সো সুইট, দেন আমি আনু ও অন্যান্য ফ্রেন্ডস দের সাথে গ্রুপ স্টাডি করতে বসি, ! স্টাডি শেষে ভিডিও গেম খেলে বাসায় ফিরে আসি আমি, বাসায় এসেই ঘুমিয়ে পরি আমি, আর একঘুমে সকাল হয়ে যায় আমার, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিচে যেতেই মাম্মা আমাকে খাইয়ে দেয় আর পাপা আমাকে কলেজে নিয়ে যায়, ! কলেজে তিন টা ক্লাসের পরে ব্রেক টাইমে একটা মেয়ে এসে আমাকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে,!

হাই ইশ্ক আমার নাম ইমা আমরা কি বন্ধু হতে পারে? ! মেয়েটার দিকে তাকিয়ে চোখ কপালে আমার, কারন এই হলো সেই মেয়ে যাকে আমি রেস্টুরেন্টে ওই পুলিশ অফিসারের সাথে দেখেছিলাম, ! এই যে ইশ্ক বলো না আমরা কি বন্ধু হতে পারি?

তুমি জানো আমি তোমাকে কলেজে অ্যাডমিশন নাওয়ার পর থেকে অবজারভ করে যাচ্ছি, জাস্ট বিকজ অফ আই রেয়ালি লাইক ইউ, আর আমার তোমার মতো সুইট সিম্পল ফ্রেন্ড না বেষ্ট ফ্রেন্ড চাই, ! তাই? তাহলে আমি তোমার নট অনলি ফ্রেন্ড বাট আল সো বেষ্ট ফ্রেন্ড কেমন?

ওহহহহহ, আয় লাভ ইউ ইশ্ক, ! আয় লাভ ইউ টুুুু ইমা, ! বাই দ্যা ওয়ে ইশ্ক আমি কি তোমাকে তুই করে বলতে পারি? ! ইয়েস অফ কসসস, হোয়াই নট?

থ্যাংকইউ সো মাচ, ! ইমা ফ্রেন্ডশিপে নো সরি নো থ্যাংকস ওকে? ! ওকে, আচ্ছা তোর বাসার সবাই কেমন আছে? ! ভালো আছে, তোর বেবি ও তার বাবা কেমন আছে? ! কি? ! হ্যা সেদিনি তো রেস্টুরেন্টে তোকে তোর ফ্যামিলি সহ দেখলাম, ! ওহহহহহহহ, তুই আমার সাথে যাদের দেখেছিস ওরা আমার ভাই, বড় টা ছিলো বড় ভাই, ছোটো টা ছিল ছোটো ভাই, ! উফফফ, আমি সরি ইমা আমি তোদের মানে অ্যাকচুয়ালি,!

ইটর্স ওকে সোনা, আমি সেটা বুঝতে পেরেছি, আর এতে তোর কোনো দোষ নেই কারন ভাইয়ের সাথে কোথাও গেলেই সবাই আমাকে ভাইয়ের ভাবি ভেবে ভুল করে, হা হা ! হা হা হা তা তোর বড় ভাইয়ের নাম কি?

Bangla Love Story

Bangla Love Story
Photo by Văn Thắng on Pexels.com

বড় টা ইমান খান ছোটো টা ইহান খান, ! ওহহহহ সো সুইট, তা আঙ্কল আন্টি কেমন আছে? আঙ্কল আন্টির কথা জিজ্ঞেস করেই চোখ লাল হয়ে যায় ওর, তাই আমি প্রসঙ্গ পালটে অন্যকথা বলতে শুরু করি, আর তখনি আনু এসে বলে, ! ইশ্ক তুই তো আমাকে ভুলেই গেছিস,!

না সোনা তুই তো আমার জান জানু এভরিথিং দেন আমরা তিন জন মিলে খুবি মজা করতে থাকি, ক্লাস শেষে তিন শয়তানি লাফাতে লাফাতে বাসায় চলে যাই, ! বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পরি আমি, সন্ধায় ঘুম থেকে উঠে স্টাডি করতে বসে যাই আমি, স্টাডিজ শেষে ইমা কে কল করি নোটর্স দেওয়ার জন্য, আর তখনি ইমার বদলে ওর ভাই ওই পুলিশ অফিসার ইমান খান ফোন রিসিভ করে বলেন, ! হ্যালো কে? ! আসসালামু ওয়ালাইকুম ইমা কি বাসায় আছে? ! হ্যা আছে আপনি কে?

অ্যাকচুয়ালি আমি ওর বেষ্ট ফ্রেন্ড, ! ওহহহহ, আসলে ও তো এখন ওয়াসরুমে সো এখন তো কথা বলা যাবেনা, ! ওকে আমি এখন হোল্ড করছি পরে কথা বলবো কেমন? ! ওকে, ! বায় দ্যা ওয়ে ইহান কেমন আছে? ! ভালো আছে, ! আর তখনি ইমার গলা শুনতে পাই আমি, ইমা এসে ওনার কাছ থেকে ফোন নিয়ে আমাকে বলে,!

তোর আমাকে নিয়ে টেনশন করতে হবে না,কারন তুই যখন ঘুমে ছিলি আমি তখনি তোর বাসায় গিয়ে আন্টির থেকে নোটর্স গুলো নিয়ে এসেছি, ! বোকা হাদি কোথাকার আমাকে ডেকে তুলতে পারলি না? ! তোকে ঘুমিয়ে এতো সুইট লাগছিল সো ডাকতাম কি করে হুমমমম?

ওকে বাদ দে, শোন কালকে আমার পাপার বার্থডে সো তুই তোর ফ্যামিলি সহ আসবি কেমন? আর একদম সকালে আসবি আমরা অনেক মজা করবো কেমন? ! ওক্কে বাট আমি ও ইহান আসবো কেমন? ! তোরা দুটো আসবি বড় টা আসবেনা নাকি? ! নারে ভাইয়ের অনেক কাজ আছে তাই আর কি?

ওহহহ আচ্ছা ওকে বায় গুডনাইট, ! গুডনাইট, ! পরেরদিন সকালে আনু,ইমাও ইহান এসে পরে আর আমরা সবাই মিলে অনেক মজা করি, ও পাপার বার্থডে সেলিব্রেশনের জন্য গোছগাছ করি, রাত আটটা নাদাগ পাপা বাসায় আসতেই আমারা তাকে হ্যাপি বার্থডে উইশ করে সারপ্রাইজিং বার্থ ডে পার্টি সেলিব্রেট করি

তারপর ইহান কে আদর করে ঘুম পারিয়ে দেই আমি আর ইমা ওকে নিয়ে বাসায় চলে যায়, ! কি হলো বোন? কেমন মজা করলে? ! এতো এতো মজা করেছি তোমাকে বলে বোঝাতে পারবোনা ভাইয়া, ! রেয়ালি? তা তোমার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম কি তার বাসা কোই? ! সেটা যেনে তুমি করবে?

রোমান্টিক লাভ স্টোরি গল্প

bangla love story
Photo by Shubham Sharma on Pexels.com

এমনি জানতে চাইলাম আর কি? তা ইহান কোনো কান্নাকাটি করে নাই? ! কচু করবে? আমার বেষ্টি কে পেয়ে কান্নাকাটির কথা তো ভুলেই গেছে, ! সিরিয়াসলি? ! ইয়েস ব্রো, তোমার ওই দুই ন্যানি যা করতে পারেনি আমার বেষ্টু তা করতে পেরেছে, ইনফ্যাক্ট ও ইহানের এতো যত্ন করেছে যে ইহান ওকে আম্মু বলে ডেকেছে, ! কি?

ইহানের আম্মু ডাকায় রাগ হয়নি তোমার বেষ্ট ফ্রেন্ড? ! কি যে বলো না ভাইয়া? ওকে নিজের সন্তানের মতো যত্ন নিয়েছে, ইহান যে যাইয়া ওর কোলে উঠছে আর তো নামেই নাই, ঘুম খাওয়া দাওয়া সবি আমার বেষ্টু কোলে, আর ও সারাদিনে একটু ও কান্নাকাটি করে নাই, এবং আসার সময় আমার বেষ্টুই ওকে ঘুম পরাইয়া দিছে, ! তাহলে তো কাল সকালে উঠে ইহান তো তোমার বেষ্টুরর কাছে যাওয়ার জন্যে কান্নাকাটি করবে

করবেনা করন কাল কেই আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড আমাদের বাসায় আসবে, ! ওহহহহ তাহলে তো ভালোই, ! তুমি জানো ভাইয়া আঙ্কল আন্টি অনেক ভালো, আন্টি আমার এতো যত্ন নিছে যে আমার মনেই হয়নি আমি আমার বেষ্টু বাসায় আছি, ইনফ্যাক্ট আন্টি আমাকে নিজের হাতে খাবার খাইয়ে দিছে আর আঙ্কল আমাকে বাসায় দিয়ে গেছে, তারা বলছিল আজকে তাদের কাছে থাকতে কিন্তু আমরা থাকলে তো তুমি একা হয়ে যেতে, তাই না তাই আমরা বাসায় চলে এসেছি, ! ও তাই, তা তোমার বেষ্টুর নাম কি সেটা তো বললে না?

কালকে তো আসবে, কালকে দেখে নিও আর নাম টাও যেনে নিও কেমন? ! ওকে গুডনাইট, ! গুডনাইট ভাইয়া, ! পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট করে, কিচিনে গিয়ে ইহানের জন্য ইলিশ পোলাও করে আনি, ! কারন আব্বু বার্থ ডে তে আমি ওর জন্যে আলাদা করে ইলিশ পোলাও করেছিলাম আর ও সেটা অনেক মজা করে খেয়েছ, আর ও সারাক্ষণ আমার কোলেকাঁখেই ছিল আর আমি ওকে এক মুহূর্তের জন্য ও আমার থেকে আলাদা করিনি কারন ওই অল্প সময়ে ওর প্রতি আমার মায়া পরে গেছে

তাই আমি তাড়াতাড়ি ওর জন্যে ঝালছাড়া ইলিশ পোলাও রান্নাকরে ইমা ও পুলিশের জন্যে সরষে ইলিশ রান্না করে নিয়ে ওদের ফ্লাটে চলে যাই, সেখানে গিয়ে কলিং বেল চাপতেই দারওয়ান এসে গেট খুলে দেয় আর ইমা আমাকে জড়িয়ে ধরে, আমার হাত থেকে বক্স গুলো নিয়ে আমাকে তিনতলায় ওদের বাসায় নিয়ে যায়, বাসায় ঢুকেই ইহানের কান্না শুনতে পাই, তাই এক ছুটে ওর কাছে চলে যাই, ! ওর কাছে যেতেই ও আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে, ! মাম তুমি তোতায় তিলে?

কোথাও না বাবা,এই তো আমি তোমার কাছে আছি, ! তখন ইমা এসে বলে, ! তোদের ভালোবাসা দেখলে না মা ছেলের ভালোবাসা বলে মনে হয়, ! তাই নাকি? তা তোরা দুটোই বাসায় আছিস? আর বড়টা কোই? ! ভাইয়া তো ঘুমে, ! কি এখনো ঘুমে? থানায় যাবেনা নাকি

সেটা আমি জানবো কি করে? তুই গিয়ে জিজ্ঞেস কর? ! কি যে বলো না তুই? ওনার রুমে গেলে উনি কি ভাববে হুমমম? ! ভাইয়া কিছুই ভাববো না, কারন ভাইয়া অনেক ফ্রি মাইন্ডের মানুষ, ! তাহলে যাবো বলছিস ? ! হ্যা যা না ভাইয়া কিছু বলবে না, ! মাম পাপার কাতে তলো না, ! পাপা? ! আসলে ও তো আব্বু আম্মু কে দেখেনি

তাই ভাইয়া কেই পাপা বলে ডাকে, আর মা মানে মাম ডাকার জন্য তো তোকে পেয়েই গেছে, তাই তুই যা না ভাইয়ের রুমে যা, ! তারপর আমি পিচ্চু ইহান টাকে কোলে নিয়ে পুলিশের রুমে চলে যাই, সেখানে গিয়ে দেখি ব্যাটা পুলিশ দু ঠ্যাং দুদিকে দিয়ে মটকা মেরে পরে পরে ঘুমোচ্ছে, তাই আমি সোজা গিয়ে পূব দিকের জানালার পর্দা সরিয়ে ওনার বেড সাইডে গিয়ে দারাই, আর তখনি সূর্যের আলো সরাসরি ওনার মুখে এসে পরে আর উনি আমাকে ইমা মনে করে বলেন, ! বোন আমি চারদিনের ছুটি নিয়েছি সো প্লিজ আমাকে ঘুমোতে দে

সেরা প্রেমের গল্প

bangla love story
Photo by cottonbro studio on Pexels.com

না দিবো না থুমি উঠু পাপা আমি মাম কে নিয়ে এতেতি, ! তখনি উনি চোখ ডলতে ডলতে উঠে বসেন আর আমি স্লিপ করে পিচ্চু কে নিয়ে ওনার ওপরে পরে যাই, আর উনি তখনি আমাকে ও পিচ্চু কে জড়িয়ে ধরে, ভালো করে আমার দিকে তাকিয়ে আমাকে দেখে মিষ্টি করে হাসি দিয়ে বলে

আরে তুমি এখানে কখন এলে? ! এইতু আমি মাম কে নিয়ে এতেতি, ! এই তোমার মাম? ! হ্যা ভাইয়া ইশকাই আমার বেষ্টু আর ইহানের মাম, তবে তুমি ওকে জড়িয়ে আছো কেন? ওকি তোমার বিয়ে করা বৌ না পারসোনাল প্রপার্টি হুমমম? ! না মনে ওতো পরে যাচ্ছিল তাই আর কি?

ওহহহহ, তাই বলো আমি তো ভেবেছি অন্যকিছু? ! ভাই তুই আমার কাছে আয় তো তোর মাম ও পাপা কে উঠতে দে, ! পিচ্চু টা ইমার কোলে যেতেই আমি ওনার ওপর থেকে উঠে দাড়াই, তখনি পিচ্চু আমার ওরনা ধরে বলে, ! মাম উন্না পলো তব তো দেকা দায়, ! হায় আল্লা পিচ্চু বলে কি?

কি আবার দেখা যায়, ! তখনি খেয়াল করে দেখি আমার আমার ওরনা টা সরে গেছে আর তাই দেখে ইহান ওভাবে বলছে, আর পুলিশ টার দিকে নজর যেতেই দেখি, উনি পিচ্চুর কথা শুনে আমাকে দেখে হাসছেন, তাই আমি লজ্জা পেয়ে তখনি ইমা ও ইহান কে সাথে নিয়ে হলে চলে যাই, আর সেখানে গিয়ে ইমা কে জিজ্ঞাস করি, ! আঙ্কল আন্টি কোই? ! তখন ও আমাকে জড়িয়ে কান্না করে বলে

ইহানের জন্মের নয় দিন পরে আব্বু আম্মু রোড এক্সিডেন্টে মারা যায়, আব্বুর স্পট ডেথ হলে ও আম্মু কে সবাই হসপিটালে নিয়ে গেছিল আর আম্মুর একটা মেজর অপারেশন হয়ে ছিলো কিন্তু অপারেশনের পরে ও আম্মু কে আমরা বাঁচাতে পারিনি মৃত্যুর আগে আম্মু ভাইয়ার হাত ধরে বলে ছিল ইহান যেন কখনওই মা বাবার অভাব বুঝতে না পারে, তাই আমার ও ভাইয়ার চেষ্টা ও যেন অলওয়েজ হাসি খুশি থাকে

ইমার কথা গুলো শুনে আমারো কান্না পেয়ে যায়, তবুও নিজেকে সামলে নিয়ে ইমা কে শান্ত করে বুঝিয়ে বলি, বোকা তুই কাঁদছিস কেন? তোকে কাঁদতে দেখলে তো ইহান ও কাঁদবে, কাঁদেনা সোনা প্লিজ শান্ত হয়ে যা, ভাগ্যিস ন্যানি পিচ্চি কে ওয়াস রুমে নিয়ে গেছে, নয় তো ও তোকে দেখলেই কান্না করে দিতো

তখন খেয়াল করে দেখি পুলিশ টাও পর্দার আড়ালে কাঁদছে, ! এই যে সবাই শুধু কাঁদলে হবে খেতে হবে না? আমি তো সবার জন্যে রান্না করে নিয়ে এসেছি, সে গুলো কে খাবে হুমমমম?

দেন আমি সবার জন্যে খাবার জন্যে খাবার সার্ফ করি, আর পিচ্চু কে কোলে নিয়ে বড়টার রুমে গিয়ে ওটা কে বলি, ! এই যে মিস্টার খাবেননা নাকি এখানেই দাড়িয়ে থাকবেন? ! হ্যা তবেঁ একটা কথা ছিল, ! কি? ! পিচ্চু না মানে ইহান তো তোমাকে মা বা মাম বলে ডাকে তুমি প্লিজ মাইন্ড করোনা

এই আপনি কি বোকা? দুধের শিশু ও কিনা কি বলে সেটা ধরে বসে থাকবো? কি বলে মাম বলেই ডাকে? আর একদিন না একদিন আমি তো মা হবোই তাই না? তো পিচ্চু আমাকে মা ডাকলে কি হবে হুমমম?বরং ও আমাকে মা ডাকলে ওর মুখে মা শুনতে আমার ভালোই লাগে বুঝলেন?

এখন খেতে চলেন, ! তখন উনি আমাকে পিচ্চু সহ ওয়ালের সাথে চেপে ধরে বলেন, ! তুমি কি বিবাহিত? ! আমাকে কি বিবাহিত বলে মনে হয়? ! তোমার ও তো আমাকে আঙ্কল বলে মনে হয়? ! মনে হয়ে ছিল তাই বললাম, ! ও তাই? তোমার কি বি,এফ আছে? ! না আমার কোনো হাবিজাবি নেই, ! হা হা হা, কোনো ক্রাশ?

না আমার কোনো বাঁশ নেই? ! হা হা হা তাহলে তোমার আছে কি? ! আমার প্যারেন্টর্স আছে, ! আর কি আছে? ! আপনার মাথা আর আমার মুন্ডু, ! এই আপনি আমাকে এতো জেড়া করছেন কেন হুমমম? ! কিছুনা এমনি? ! অতো এমনি সেমনি বুঝিনা, ! কেন?

কারন আপনি একটা পাগল, আর আমার সাথে পাগলামো করছেন, ! আর তখনি হঠাৎ পিচ্চু টা আমার গালে চুমু খেয়ে বলে, ! পাপা মাম কে উম্মাহহহহ উম্মাহহহহহহহ পাপ্পাি দাউ ! আর তখনি ফাজিল টা আমার গালে চুমু খেতে শুরু করে, আর আমি তাদের কান্ড দেখে হা করে তাকিয়ে থাকি

কারন এক জন আমাকে চুমু খাচ্ছে আরেক জন হাতে তালি দিচ্ছে, ! হায় আল্লাহ এ আমি কাদের পাল্লায় পরেছি? কেউ আমাকে বাঁচাও, ! এখনে কেউ নেই যে তোমাকে বাঁচাবে হা হা হা . চলবে…

প্রথম পার্ট পড়ুন: পুলিশের সাথে প্রেম-১

1 thought on “Romantic Bangla Love Story – পুলিশের সাথে প্রেম-২”

Leave a Comment